বৈজ্ঞানিক যুগে অর্থাৎ আধুনিক সময়ে পরিচালনা কার্য হবে যুগে শিক্ষার পরিচালনার মাধ্যমে একটি বিশেষ দিক লক্ষ্য রেখে। তবে বর্তমান সময়ে এই পরিচালনা ব্যবস্থা শিক্ষা প্রসারের ক্ষেত্রে একটা জটিল প্রক্রিয়া হয়ে রয়েছে। বিভিন্ন স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় ভিন্নরকম তাই এই জটিল প্রক্রিয়াকরণ কে সহজ করা অত্যাবশ্যক। বিভিন্ন বিষয়ে সে নীতিনির্ধারণী হোক কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিকল্পনা কিংবা স্কুল-কলেজের শিক্ষার প্রতিষ্ঠিত করা এই সকল দিকেই পরিচালনা করা অতি প্রয়োজন হয়ে পড়েছে আমাদের এই সমাজে বিগত সময় থেকে অর্থাৎ অষ্টাদশ শতক থেকেই বিভিন্ন দেশের শিক্ষা পরিচালনা বিভিন্ন রকম তাই আমাদের দেশের এই শিক্ষা পরিচালনা চলে এসছিল বিগত সময় ধরে বিগত যুগের ধারার নিয়ম অনুসারে তাই নবজাগরণের সৃষ্টিতে নতুন প্রজন্মের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাপনার হওয়া উচিত নতুনত্ব শিক্ষা পরিকল্পনার মাধ্যমে। এবং নবযুগের যে শিক্ষা পরিকল্পনা নতুন ভাবে সৃষ্টি হবে তা নয়বিগত সময় এর শিক্ষা কে অবলম্বন করে নব চেতনাই আধুনিকিকরণ করা। এ জন্য শিক্ষার এক তহবিল গঠন করা হয়। ১৯৮৬ সালে জাতীয় শিক্ষানীতির শিক্ষা পরিকল্পনা নতুনভাবে তুলে ধরা হয়।
শিক্ষাগত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অত্যন্ত ব্যাপক ভাবে যেকোন পর্যায়ে সফল করার জন্য প্রয়োজন হয় সমাজের বিজ্ঞান ভিত্তিক বিষয়টি ব্যবস্থাপনা গুলিকে চিহ্নিত করেছেন।
- যেকোনো কৌশল ও পরিকল্পনা কে অনুসরণ করে যে কোনো কার্য এর উদ্দেশ্য অর্জন করা।
- গনতান্ত্রিক সমাজের সামগ্রিক প্রচেষ্টার ফলাফল।
- গণতান্ত্রিক সমাজের কর্মের পদ্ধতির প্রচেষ্টা।
- এ ছাড়াও শিক্ষা ব্যবস্থাপনার প্রকৃতি সমূহ গুলি হল
- শিক্ষাগত ব্যবস্থাপনায় প্রধান কার্যাবলী গুলি হল সংগঠন গঠিত করা পরিকল্পনা গঠন করা নিয়ন্ত্রণ করা ও সমন্বয় সাধন করা।
- জনকল্যাণ কে উদ্দেশ্য করে ব্যবস্থাপনা শিক্ষায় পরিকল্পনা করা হয়।
- বিজ্ঞানভিত্তিক প্রক্রিয়াই হলো ব্যবস্থাপনা।
- ব্যবস্থাপনা হলে এমন একটি রূপ জাতির সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্রিত করে কর্মে রূপায়িত করা হয়।
- ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন রকম উপকরণ কাজে লাগে।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থীকে ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত করা হয় ।
- শিক্ষা পরিকল্পনা তখনই ফলপ্রসূ হয় যখন মনোবিদ্যা কার্যকারিতা করা হয়। মনোবিদ্যার প্রয়োজন এখানে পড়ে এই কারণেই কারণ বৃহত্তর ব্যবস্থাপনা কে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর জন্য যে চিন্তাভাবনা করা হয় তার জন্য মনোবিদ্যার প্রয়োজন পড়ে এই কারণে আমরা চিন্তা করি অনেক কিন্তু আমাদের চিন্তা শক্তি আরো প্রখর হয় এবং আমাদের ক্লান্তি আরো কমে আসে এই মনোবিদ্যার সাহায্যেই আমাদের বিষয়গুলোকে আরও কাজে লাগাতে এবং চিন্তাভাবনা করতে সাহায্য করে যার দরুন কতটা অর্থের প্রয়োজন এবং যাতে অর্থ অপচয় এবং সময় অপচয় না হয় এর জন্য মনোবিদ্যা প্রখরভাবে কাজে লাগে।
- শিক্ষা ব্যবস্থাপনার কার্যাবলী:- শিক্ষা পরিকল্পনার লক্ষ্য করলে দেখা যায় এর সাতটি কাছে যা নিম্নে আলোচনা করা হল।
- নির্দেশ দান:- শিক্ষা পরিচালনায় পরিচালন কর্তা হলো একজন নেতা যিনি পরিচালনা করবেন কিভাবে কর্ম সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয় এবং যার কথা সকলে মেনে চলবে। নির্দেশনা দানের একটি সাধারণ লক্ষ্য আর নির্দিষ্ট থাকবে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় স্কুলে যেমন টিচার স্টুডেন্ট কে যেভাবে গাইড করে এবং যেভাবে তাকে নির্দেশ দেয় যে কিভাবে সে পাঠ দান করবে।
- যোগাযোগ:- শিক্ষা পরিকল্পনার তে পরিকল্পনা যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় সেজন্য তার যোগাযোগ ব্যবস্থা সঠিক রাখা উচিত যেন যোগাযোগ ব্যবস্থার জটিল না হয়ে পড়ে যদি জটিল হয়ে পড়ে তাহলে পরিচালনা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে না এবং যে কোন কর্ম সম্পাদন করার জন্যই যোগাযোগ ব্যবস্থা সঠিক রাখা প্রয়োজন যাতে সকলের মধ্যে সকলের মাধ্যম সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।
- কর্মীবৃন্দ:- সঠিকভাবে এবং সুষ্ঠভাবে যেতে পরিচালনা সার্থক হয় সেইজন্য সহ কর্মীবৃন্দ দের সাথে সু-সম্পর্ক রাখা একান্ত প্রয়োজন। স্কুলের যদি সহ কর্মী বৃন্দ এরমধ্যে যদি সু-সম্পর্ক না থাকে তাহলে স্কুলের পরিবেশ সুস্বাস্থ্যকর হয় না।
- পরিকল্পনা রচনা:- যেকোনো পরিকল্পনাকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন ভাবে কার্যকারী করার জন্য এবং দীর্ঘমেয়াদী করার জন্য পরিচালককে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিকল্পনা করা উচিত। পরিকল্পনা সুষ্ঠু এবং সঠিক হলে ভবিষ্যতের পাঠক্রম রচনার সুন্দরভাবে হবে।
- নির্মাতা কাঠামো:- যেকোনো কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা এবং তা উপযুক্ত কিনা তা নির্ণয় করে নির্মাতা যেকোনো কাজ সুষ্ঠুভাবে এবং সঠিকভাবে এবং উপযুক্ত ভাবে সম্পন্ন করে সাংগঠনিক নির্মাতা কাঠামো।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ:- প্রশাসন পদ্ধতি বিভিন্ন কার্যকারিতা সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এর উপর নির্ভর করে প্রশাসনের উদ্দেশ্য পরিপূর্ণ হচ্ছে কিনা তার উপর তাই পরিচালন ব্যবস্থা প্রায়োগিকভাবে বিশেষভাবে নির্ভরশীল।
- কন্ট্রোল করা:- নিয়ন্ত্রণের উপর নির্ভরশীল পরিচালন কার্যনীতি ব্যাপক ও বিস্তৃত যে কোন সাবজেক্টের উপর পরিচালকের আয়ত্ত বাইরে চলে যায়। তাই শ্রেণীকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষার্থী কে কি কতটা মানে শিক্ষা প্রদান করতে পারছে তার ওপর এই নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করা হয়।

0 Comments