adsterra

Schizophrenia কাকে বলে? এর কারণ ও বৈশিষ্ট্য।

Schizophrenia মূলত split ও mind শব্দ থেকে এসেছে। split কথার অর্থ হল খন্ড বিখন্ড করা বা ভাঙা এবং mind কথাটির অর্থ মন। অর্থাৎ যখন কোনো বিশেষ কারণবশত ব্যক্তির মনে বিচিত্র সমস্ত ক্রিয়া-কলাপ হয় এবং অস্বাভাবিক আচরণে লিপ্ত হয় তখন তাকে schizophrenia আক্রান্ত বলে ধরা হয়। schizophrenia রোগীদের মধ্যে মূলত আতঙ্ক ভয় বিশেষ আত্মগ্লানি আত্মকেন্দ্রিকতা পরিবেশ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখা বাস্তব জগৎ সম্বন্ধে অনীহা প্রভৃতি বহুমুখী ভাব দেখা যায়। এর ফলে ব্যক্তি সমাজ জীবন থেকে প্রতিনিয়ত নিজেকে সরিয়ে নেয়। 
schizophrenia সাধারণত 3 প্রকার কারণে হয়ে থাকে যথা। 
  •  জৈবিক বা শারীরিক কারণ Biological
  •  মানসিক বা মন ঘটিত কারণ mental 
  •  সামাজিক কারণ social 
  1.  জৈবিক বা শারীরিক কারণ:- সাধারণত schizophrenia মন কেন্দ্রিক রোগ হলেও জৈবিক কারণে এটি ঘটতে পারে সম্প্রতিAmerican সাইকোটিক অ্যাসোসিয়েশন থেকে বলা হয়েছে ব্যক্তি বাল্যজীবন এবার শৈশব জীবন এই কিছু মস্তিষ্ক জনিত বিকৃতি বা মস্তিষ্কের রাসায়নিক অসঙ্গতির কারণে এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। 
  2.  মন বৃত্তীয় কারণ:- ব্যক্তি বাল্যকালে কোনো আচরণ বা পরিস্থিতি থেকে তার সাথে মানিয়ে নিতে বা সংগতি বিধান না করতে পারার দরুন এই রোগটি হতে পারে যেটি সিজোফ্রেনিয়ার মূল কারণ কোন প্রকার ভয় আতঙ্ক পারিবারিক ক্ষেত্রে বড়দের অস্বাভাবিক আচরণ ইত্যাদি থেকে শিশুর মানসিক দ্বন্দ্ব বা প্রতিকূলতা সৃষ্টি হয় তা থেকে এই রোগটি হয়। 
  3.  সামাজিক কারণ:- সামাজিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কোন কাজ করার প্রতি যদি শিশুর আত্মকেন্দ্রিক অবস্থান তৈরি হয় তার ফলে ব্যক্তি এই রোগের আক্রান্ত হতে পারে। 
  •  সিজোফ্রেনিয়ার বৈশিষ্ট্য :-সাধারণভাবে সিজোফ্রেনিয়া রোগ আক্রান্ত ব্যক্তিদের কয়েকটি মূল বা মৌলিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায় যেমন
  •  মানসিক উৎপীড়ন:- কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় চাপের কারণে যে ব্যক্তি আর্থসামাজিক এবং পারিপার্শ্বিক বা এমনভাবে জর্জরিত হয়ে পড়ে বা হতবুদ্ধি হয়ে যায় যে সেই প্রচন্ড প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে মনে কোন প্রকার মানসিক উৎপীড়ন কাজ করে তখন বোঝা যায় যে সেই ব্যক্তি সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। 
  •  আত্মকেন্দ্রিকতা:- বাস্তবের প্রতি অনীহা এবং জীবন বৈচিত্রতায় ব্যক্তি প্রচন্ড পরিমানে আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়ে এই সেই সময় যে সময় শুধু  নিজের নিয়ে ভাবে চিন্তা করে যায় এবং তার পারিপার্শিক পরিবেশ এবং নিজের শরীরের প্রতি অসমর্থ হয়ে পড়েন। 
  •  ভয় বা ভীতি ফোবিয়া:- সাধারণত কোনরূপ আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা কোন ভয় ঘটনা ভয় থেকে বা কোনরূপ ব্যক্তির সাথে আচরণ প্রভৃতি কারণে ব্যক্তির সিজোফ্রেনিয়া আক্রান্ত হতে পারে। 
  •  বাস্তব সম্পর্কে অনীহা:- যখন ব্যক্তি সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হয় তখন সে বাস্তব সম্পর্কে কোন কিছুই জানতে বা বুঝতে চায় না সে বাস্তবের সঙ্গে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চায় না। 
  •  বিরূপ আচরণ:- ব্যক্তি সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হলে পূর্বের থেকেই অপরের প্রতি বা সমাজের প্রতি বিরূপ আচরণ করে থাকে বয় দুঃখ আতঙ্ক ইত্যাদি থেকে এর প্রতিকার রিয়্যাক্ট করে থাকে। 
  •  অলীক কল্পনা :- ব্যক্তি সব সময় এক অবাস্তব জগতের মধ্যে থাকে সে নিজেকে নিয়ে নানা প্রকার অবাস্তব পরিকল্পনা করতে থাকে এবং অবাস্তব সব কাজকর্ম নিম্নতর করতে থাকে। 
  •  প্রতিকারের উপায়:- কয়েকটি নির্দিষ্ট মাধ্যমে এই রোগের চিকিত্সা সম্ভব সেগুলি কয়েকটি স্তর হল তা নিম্নে আলোচনা করা হল। 
  1.  মনোচিকিৎসকের মাধ্যমে সাইকোটিক:- সাধারণত মনোচিকিৎসকদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সাইকলজিক্যাল ট্রিটমেন্ট এর মাধ্যমে এই রোগের চিকিৎসা করা হয় এর ফলে ব্যক্তিকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত মনোযোগের সাথে থেকে চিকিৎসা করতে হবে ফলে এটি একটি সময়সাপেক্ষ চিকিৎসা। 
  2.  মনো সমীক্ষার মাধ্যমে:- মনঃসমীক্ষা প্রক্রিয়াতে রোগীকে তার আচরণের বিপরীত আচরণ বা ভয় দূর করে তাকে সেই পরিস্থিতি থেকে তাকে মনঃসমীক্ষণের মাধ্যমে ব্যক্তি বা আতঙ্ক জনিত কারণগুলো নিম্নরূপ চিকিৎসা করা হয়। 
  3.  মেন্টাল সার্জারি:- জৈবিক বা শারীরিক বৃত্তীয় কোন সিজোফ্রেনিয়া হলে আধুনিক বিজ্ঞানের সাহায্যে কিছুটা মানসিক শক্তি বা কনফেডারেশনস রোগীর মধ্যে সঞ্চালন করা হয় এবং তার মেন্টাল হেলথ এর ওপর নির্ভর করে চিকিৎসা করা হয়। 
  4.  সংগতি বিধানের সাহায্য করা:- রোগীকে তার উপযুক্ত সংগতি বিধানের সাহায্য করে তাকে সিজোফ্রেনিয়া থেকে নিষ্কৃতি দেওয যেতে পারে এই পদ্ধতিটির মেন্টাল ট্রিটমেন্ট এর মাধ্যমে সাইটের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। 



Reactions

Post a Comment

0 Comments