পরিকল্পনা
কাকে বলে
বর্তমান যুগে শিক্ষা পরিকল্পনা এতটাই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে যে বিভিন্ন রকম লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সে অর্থনৈতিক হোক প্রতিষ্ঠানিক হোক ব্যবসায়ীক হোক দেশের কাঠামো উন্নতি স্তরেও ছাত্র-ছাত্রীদের উন্নত শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রেও শিক্ষার পরিকল্পনা অত্যাবশ্যক এইজন্যই বিভিন্ন শিক্ষাবিদ বি ভিন্ন মতামত প্রদান করেন তাদের মধ্যে ইলিয়ট ও মঁসিয়ে শিক্ষা পরিকল্পনা কে কতগুলো ধাপে প্রদান করেছেন সেই স্তর গুলি বা ধাপগুলি নিম্নে আলোচিত হলো।
পরিকল্পনার
বৈশিষ্ট্য বা ধাপ
- লক্ষ্যের সঙ্গে সামান্যীকরণ বজায় রাখা:- স্কুলের শিক্ষার লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আমাদের পরিকল্পনার সঙ্গে সামান্যীকরণ বজায় রাখা প্রয়োজন। যথা পাঠ্যপুস্তকে ঘিরে পাঠদান এটি হওয়া উচিত খেলাধুলা প্রতিষ্ঠান গুলিতে। পরিচালনা থেকে বেশি ফলপ্রসূ হলো কর্মের অনুযায়ী শিক্ষা পরিকল্পনা। ফলের লক্ষ্যে পৌঁছানোর সার্বিক বিকাশ ও সমঞ্জস্য বজায় থাকে।
- চাহিদা পূরণ :- সমাজের চাহিদা অনুযায়ী তার প্রয়োজনীয়তাকে মেটানোর জন্য পরিকল্পনা রচনা করা হয় এবং তা বাস্তবায়িত করা হয়। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের চাহিদা গুলির উপর দৃষ্টি নিক্ষেপ করে পরিকল্পনা রচিত হয় দেশের চাহিদা তারপর সামগ্রী সকল কিছু উৎপাদিত হয় অর্থাৎ চাহিদা পূরণ হলো পরিকল্পনার উদ্দেশ্য।
- বর্তমান সময় বিবেচনা:- বর্তমান অবস্থা জেনে যে কোন ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষাগত পরিকল্পনা নির্বাচন করা উচিত। নিরক্ষর সমাজে কাছে সাহিত্যের বিষয়বস্তু বা গবেষণার কার্যকারিতা অর্থহীন হয়ে পড়ে। আমাদের মত অনন্য দরিদ্র সমাজে শিক্ষায় পরিকল্পনা এক অবাস্তব কথা সেহেতু বর্তমান সময়ের কথা ভেবেই পরিকল্পনা নির্বাচন করা প্রয়োজন।
- কার্যকারিতা নির্ণয়:- শিক্ষার্থী তার শিক্ষার উদ্দেশ্যে উপনীত হওয়ার আগে কি কি কার্যকারিতা সম্পন্ন করবে তা স্থির করা দরকার। সঠিক পরিকল্পনা দ্বারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পৌঁছতে পারবে। নিয়ম নীতি অনুসরণ করে যদি পরিকল্পনা নির্বাচন করা হয় তাহলে শিক্ষার্থীর মানসিক চাপ পড়বে। পরিকল্পনার মাধ্যমে শিক্ষার্থী কি কি কার্যকারিতা করবে তা বাস্তবে রূপ দান করা উচিত।
- যোগ্যতা অনুযায়ী কর্ম প্রদান করা:- আমার দেশের আর্থিক অবস্থা অনুন্নত তাই শিক্ষা পরিকল্পনা কে এমন করা উচিত যাতে ছাত্র বা ছাত্রী নিজের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে যেকোনো কর্ম সম্পাদনের সাকসেসফুল হয়। শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারে কোন কর্মে তাদের আগ্রহ আছে কোন কর্মে তারা সুইটেবল এবং কোন কর্মের জন্য তাদের মেধা আছে এসকল কিছু একটি পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রেরিত হয়।
- পুনরায় পরিকল্পনা করা:- যদি আগেকার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় তাহলে সেই পরিকল্পনাকে কোন জায়গায় ভুল হয়েছে সে জায়গাটাকে সঠিকভাবে নির্বাচন করে তাকে আবার পুনরায় পরিকল্পনা করা উচিত এতে শিক্ষার্থীর মেধা কোথায় কাজে লাগছে শিক্ষার্থী কতটা শিক্ষা নিতে পারছে সকল কিছু মাপকাঠি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
- কারিগরি শিক্ষা শিক্ষা প্রদান:- পরিকল্পনা কতটা সাকসেসফুল হচ্ছে এই সমস্ত কিছুর খুঁটিনাটি খবরা-খবর রাখা প্রয়োজন শিক্ষার্থী কতটা পাঠদান নিতে পারছে কতটা তার কাছে কঠিন হচ্ছে এই সকল কিছু নজরদারি রাখা প্রয়োজন। কিরকম কর্ম সম্পাদন করা উচিত এবং সেই কর্ম টা কতটা জনগণের স্বার্থে কাজে লাগবে সেই বিষয়টা চিন্তা সাধন করা প্রয়োজন।
- রিসার্চ করা:- কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে হলে সেই পরিকল্পনা খুঁটিনাটি বিষয়ে রিসার্চ করা আগে প্রয়োজন কারণ কোনো পরিকল্পনা কতটা সার্থক হবে সে সম্পর্কে জানার সবার আগে প্রয়োজন বিশেষ ভাবে দেখা যায় কোন পরিকল্পনা বছরের কিংবা দীর্ঘ সময় ধরে রয়ে যায় এইরকম পরিকল্পনা বিশেষ দিক নির্বাচন করা প্রয়োজন।
- মূল্যায়ন:- কোন কর্ম সম্পাদনের জন্য যে পরিকল্পনা করা হয় সেই পরিকল্পনা সম্পন্ন করার পর তার মূল্যায়ন করা অত্যাবশ্যক যদি মূল্যায়নের পর ধরা পড়ে যে পরিকল্পনায় কোন ত্রুটি ছিল তাহলে সেই পরিকল্পনার ত্রুটি নির্মূল করা সম্ভব হয় তাই যে কোনো পরিকল্পনা করার পর মূল্যায়ন করা অতিপ্রয়োজনীয় এতে শিক্ষার্থীদের সাহায্য হবে।
- পরিশেষে এইটুকুনি বলা যায় পরিকল্পনা করার জন্য সমস্ত নিখুঁত করে সেই উৎস গুলি কে দেখা এবং তার যথাযথ ব্যবহার করা এবং পরিকল্পনা কি সার্থক রূপ নিচ্ছে কিনা কিতা ত্রুটি প্রকাশিত হচ্ছে কিনা এই সকল বিষয় দিক খুঁটিনাটি বিশেষ হবে দেখা যেহেতু আমাদের দেশ অনুন্নত শ্রেণীর বাস এবং গরীব দেশ এত পরিকল্পনার জন্য অর্থের প্রয়োজন হয় তবুও সামান্য অর্থেও জাতি পরিকল্পনা সঠিক রূপ নেয় এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা যাতে আরো সুষ্ঠুভাবে শিক্ষা নিতে পারে সেদিকে নজর রাখা প্রয়োজন।
0 Comments